George Washington motivational quotes in bangali.

 জর্জ ওয়াশিংটন মোটিভেশনাল উক্তি


George Washington motivational. quotesজর্জ ওয়াশিংটন একজন মহান রাজনীতিবিদ এবং একজন দীর্ঘ দিনের জনপ্রিয় মানুষ ছিলেন। তিনি যে কথাগুলি বলতেন সেগুলি সাধারণ জীবনের উদ্দেশ্য এবং সফলতার জন্য একটি বিশ্বাসপ্রদ উদ্ধেশ্য সৃষ্টি করতে সাহায্য করতে পারে। একটি নজরদারী দেখে দেখে আমরা কিছু সুন্দর ও উপকারী উক্তি নিচ্ছি যা আপনাদের মোটিভেশন করতে সাহায্য করবে।

George Washington motivational quotes.

1. "যদি তোমার একটি বিশ্বাসপ্রদ উদ্দেশ্য না থাকে তবে তুমি একটি ভালো পথে থাকছো না।"


2"সফলতার উপরে আমাদের বেশি বিশ্বাস রাখা উচিত।"


3. "ব্যক্তিগত স্বাধীনতা স্বাধীনতার জন্য জরুরি নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাধীনতা হল সমস্ত মানবকে স্বাধীনতা দেওয়া।"


4. "অনেক সময় হয় আমরা অনেক কিছু জানিযদি আমরা কোন কিছু জানি না তবে আমরা কখনও অন্যের পরামর্শ নিতে পারব না।


5. ""প্রতিটি অসম্ভব কাজ শুরু হয় কোন কিছু না করলেই।"


6."আমার মতো সাধারণ মানুষও প্রায় সব কিছু সম্ভব করতে পারে। যদি আমি সফল হতে পারি, তাহলে তোমরা অবশ্যই সফল হতে পারবে।"


7. "ব্যক্তিগত সফলতা কিন্তু একটি দুটি সীমাহীন কাজ সম্পাদনে ভিত্তি করে: সৎ কঠোর পরিশ্রম এবং একটি স্বস্তিমুলক দৃষ্টিভঙ্গি।"


8. "আমরা আমাদের সকল কাজের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে আমরা যে কোন প্রতিষ্ঠান অথবা কাজে সাফল্য অর্জন করতে পারি।"


এগুলি কিছু উক্তি যা জর্জ ওয়াশিংটন এর জীবন এবং কাজ উদ্দেশ্যে থাকে। আশা করি এগুলি সকলেরই জীবনে উদ্দেশ্য এবং সাফল্যের পথে সহায়তা করবে।

 Washington biography.

George Washington motivational quotes in bangali.


জর্জ ওয়াশিংটন একজন আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বিজয়ী এবং একজন মহান রাজনীতিবিদ ছিলেন। ওয়াশিংটন ১৭৩২ সালে ভারতবর্ষের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কিংসটন বাটলে সেনাবাহিনীতে সেবা করে আর্দ্র অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করেন।


ওয়াশিংটন ১৭৭৫ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যবস্থাপনা করতে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি অধিনায়ক হিসেবে একটি সেনাবাহিনী সংস্থাপন করেন এবং আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হওয়া ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে হারিয়ে ফেলেন।স্বাধীনতা প্রাপ্তির পরে ওয়াশিংটন আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি তার পদক্ষেপ দ্বারা আমেরিকান রাজনীতিতে একটি নতুন পরিবর্তন আনেন। তিনি আমেরিকার প্রথম স্থাযআমেরিকান সংবিধান লিখতে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের সমর্থন করেন এবং সংবিধানের সম্পাদনার প্রস্তাব করেন।


ওয়াশিংটন রাজনীতিতে ক্ষোভ সঙ্গে ব্যস্ত ছিলেন কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্ট আদর্শ মেনে চলেছিলেন এবং তার নেতৃত্বে আমেরিকান জাতি একটি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের পথে অগ্রসর হলেন।


ওয়াশিংটন রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন এবং তার সেবার জন্য তিনি জাতির প্রতি বেশ উৎসাহ প্রদর্শন করেছিলেন। তাঁর প্রভাবে একটি নতুন আমেরিকান সমাজ এবং রাজনীতির প্রাথমিক নীতিবাণী গঠন হয়েছিল।জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৯৯ সালে মৃত্যু হন। তিনি আমেরিকান রাজনীতিতে একটি মহান চরিত্র ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে আমেরিকান স্বাধীনতার পথ সুসংগঠিত হয়ে উন্নয়ন পেয়েছিল।ওয়াশিংটনের পরিবার পরিসরে শিক্ষা পান এবং তাঁর বৈদ্যুতিন ব্যক্তিত্ব সক্ষম করে তাকে স্বতন্ত্র মত প্রচলিত রাজনীতি পথ একটি স্থিতিশীল আমেরিকান রাজনীতি পথে পরিণত করে দিয়েছে।


ওয়াশিংটন আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে সম্মানিত হন। তিনি আমেরিকান জাতির জীবন ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে নিজেকে অর্পণ করেছিলেন।


ওয়াশিংটন একজন দীর্ঘজীবী মানুষ ছিলেন এবং তাঁর জীবন আমেরিকান ইতিহাসের একটি অসদ্বিতীয় অংশ। তাঁর সেবার জন্য জাতি তাঁকে প্রশংসা করে এবং তিনি একজন মহান চরিত্র হিসাবে পরিচিত থাকেন।ওয়াশিংটন আমেরিকান ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন এবং তাঁর সেবার জন্য জাতি তাঁকে প্রশংসা করে এবং তিনি সমস্ত আমেরিকান জনতার হৃদয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটিঅংশ হিসেবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন। তিনি একজন মহান সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন এবং তাঁর কাজ ও সেবার ফলে আমেরিকা স্বাধীনতার উচ্চতম মর্যাদা প্রাপ্ত করে।


ওয়াশিংটন জন্মগ্রহণ করেছিলেন ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৭৩২ সালে, ভার্জিনিয়া রাজ্যের পোপেস ক্রিক এলাকায়। তাঁর পিতা একজন সম্পদশালী মুদ্রণ প্রস্তুতকার ছিলেন। ওয়াশিংটন বাল্যকাল থেকেই জ্ঞান এবং শিক্ষার পরিবেশে বৃদ্ধি করে আসেন।


ওয়াশিংটন তাঁর বাচ্চা দিনগুলি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাটিয়ে দেন। তিনি ভার্জিনিয়া রাজ্যের ফ্রেডারিক কালেজে অধ্যয়ন করেন এবং তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্যতম একটি ছিল ওয়াশিংটন কলেজ।ওয়াশিংটনের মিলিটারি ক্যারিয়ার তাঁর জীবনের প্রথম অংশ ছিল। তিনি ১৭৫২ সালে ভার্জিনিয়া মিলওয়াশিংটন বিশ্বযুদ্ধ এর সময় জুড়ে দাঁড়িয়ে দাঁড় করেন। তিনি ক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষ প্রদর্শন করেন এবং প্রথম আমেরিকান রেজিমেন্ট এর মধ্যে নেতৃত্ব করেন।


আমেরিকান রাজ্যসংঘের স্বাধীনতা সংগ্রামে ওয়াশিংটন একটি মূল্যবান ভূমিকা পালন করেন। তিনি পর্যটনে থাকতে পারেন এবং অনেক বিভিন্ন কাজ করতে পারেন, তবে একটি জাতীয় লিডার হিসেবে তিনি সদাই অধিকার এবং সম্মানের উচ্চ মর্যাদা রেখে একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জানা হয়।ওয়াশিংটন আমেরিকান সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি হিস্টোরিয়ান এবং ব্যক্তিগত লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তিনি একজন দিগন্ত হিস্টোরিয়ানের মতো প্রশংসিত হয়ে উঠে এবং আমেরিকান রাজনীতির ইতিহাস l


 George Washington university ranking.


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং নিয়ে একটি প্রবন্ধ:


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়। এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইউনাইটেড স্টেটসে মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে। এখনও বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি অভিনব ইতিহাস ধারণ করে এবং প্রতিষ্ঠানে একটি স্থায়ী অবস্থান রেখে দিয়েছে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন শিক্ষাগত প্রদানের জন্য পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সুযোগ এবং সুবিধা উপহার করে। এটি প্রায় ১০০ টি প্রোগ্রাম প্রদান করে এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফিল্ডে অধ্যয়নের সুযোগ দেয়।বিশ্ববিদ্যালয়টির র্যাংকিং বিষয়টি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষার্থীদের ভালো কর্মক্ষমতা, সহযোগিতামূলক গবেষণা এবং অন্যান্য বিভিন্ন পরিমাপে ভিত্তি করে র্যাঙ্কিং করে থাকে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং অনেকটা প্রতিযোগিতামূলক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলি স্বচ্ছতা, কঠোর শিক্ষা মানদন্ড এবং বিভিন্ন শিক্ষাগত সুযোগ সুবিধাগুলি উপভোগ করে এবং এদের সম্পর্কে আলোচনা চলছে সকল রকমের মাধ্যমে।জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পছন্দের একটি ক্ষেত্র হল বিশেষতঃ ব্যবসায়িক শিক্ষা। বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি এই ক্ষেত্রে সুযোগ উপহার করে এবং শিক্ষার্থীশিক্ষার্থীদের একটি ভালো কর্মক্ষমতা প্রদর্শন করার জন্য বিভিন্ন কোর্স এবং শিক্ষাগত সুযোগ উপস্থাপন করে। বিশেষতঃ জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রযুক্তি মুদ্রণ কোর্স উপস্থাপন করে যা কোর্সটি সম্পূর্ণ অনলাইনে হয়। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকগুলি পোস্টগ্রাজুয়েট কোর্স এবং গবেষণা প্রোগ্রাম রয়েছে যা শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষমতা উন্নয়নে সাহায্য করে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগিতামূলক বজায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির র্যাঙ্কিং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা মানদন্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য উপায়ে ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানেজর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে খুব উচ্চ নয়, কিন্তু এটি দক্ষ ও প্রযুক্তি মানদন্ডগুলি উন্নয়নে অগ্রগামী স্থানে অবস্থিত। উদাহরণস্বরূপ, একটি নিউরল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি প্রযুক্তি এবং একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রযুক্তি কোর্স উপস্থাপন করে যা উচ্চ মানের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রদান করে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো তার আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্প্রদায়। বিশ্ববিদ্যালয়টি আমেরিকার বাইরে এবং একটি বিশ্বব্যাপী ছাত্র সম্প্রদায উন্নয়নে অবদান রাখে। এছাড়াও, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ভাষা প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছেজর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগগুলির মধ্যে অন্যতম বাইমেডিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সাইবারসিকিউরিটি বিভাগটি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানদণ্ড বেশ উচ্চ এবং এর শিক্ষকদের একটি উচ্চ মানের স্থান রয়েছে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় মানদণ্ডের জন্য QS বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং এ প্রতিষ্ঠানটি ১৩৮ তম স্থানে অবস্থান করেছে। এরপরও, এটি অন্যান্য জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে উচ্চ স্থানে উপস্থিত নয়।মার্চ ২০২১ সালে, US News & World Report জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়কে রাষ্ট্রের মধ্যে ৭২টি সর্বশেষ স্থানে রেখেছে। এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে একটি ধর্মীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তর এম্প্লয়মেন্ট সুযোগ, ছাত্রআন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং শিক্ষার গুণমান অনুযায়ী স্থানাংকিতে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মূল্যায়ন উচ্ছৃঙ্খল।


আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং রিপোর্ট ২০২২ সালে, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়কে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৫তম স্থানে রেখেছে। এরপরও, এটি কয়েকটি শ্রেষ্ঠ বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ হয়েছে, যেমন নীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলি, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিকেশন এবং মিডিয়া, এবং বিজনেস স্কুল।আন্তর্জাতিক শিক্ষার গুণমানের দিক থেকে, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০২১ সালে QS বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৩৮তম স্থানে রেখেছে। সেখানে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেজ্ঞানকেন্দ্র, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি শাখার বিষয়গুলির জন্য দ্বিতীয় শ্রেণীতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল স্কুল ১০০তম স্থানে রেখেছে।


জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রবীণ শিক্ষার্থী সম্প্রদায় আছে এবং একটি বৃহত্তর শিক্ষা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। এটি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান বিষয়ে বিশেষ ফোকাস করে তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা সরবরাহ করতে সক্ষম। এটি কয়েকটি অভিজ্ঞ শিক্ষকের সাথে সম্পৃক্ত যারা প্রতিটি শাখার সাথে পরিচিত এবং বিশেষজ্ঞ হিসাবে পরিচিত।


 George Washington bridge history.


George Washington motivational quotes in bangali.



জর্জ ওয়াশিংটন সেতু হল একটি বৃহত্তম সেতু যা নিউয়র্ক সিটি এবং নিউ জার্সি রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত। এটি মানব নির্মিত একটি স্থায়ী সংযোগ বিন্যাস হিসাবে সেই সময়ের জন্য ছিল যখন এমন কোনও সেতু না ছিল।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি নিউয়র্ক ও নিউজার্সি মধ্যে পার টলে সাধারণ মানুষের জন্য পারদর্শী হল এবং একটি মহান নগরীর নজরদারিতে একটি মুখ্য প্রবেশ পোইন্ট হিসাবে কাজ করে। এই সেতুর উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ নিউয়র্ক ও নর্থ নিউজার্সির মধ্যে পরিবহনের সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং নিউয়র্ক শহরের বৃহত্তম স্থানীয় পরিবহন পার্শ্বে একটি প্রকৃত অনুকূলতা উপস্থাপন করা।জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি মূলত একটি লম্বা সেতু হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল যা 1931 সালে উদ্বোধিত হয়

জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি মোটামুটি ৩,৫০০ ফুট লম্বা এবং চার লেন দিয়ে বিস্তৃত। এই সেতুর নির্মাণ শুরু হয় ১৯২৭ সালে এবং প্রথমবারের মতো অনেক কঠিন কাজের মধ্যে সেতুটি তৈরি করা হয়। এটি আধুনিক নির্মাণ পদ্ধতি ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে এবং একটি আদর্শ নগরী সেতুর উদাহরণ হিসাবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেতু হিসাবে গণ্য।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুর নামকরণ একটি অতি গৌরবময় ঘটনা। এই সেতুর নাম জর্জ ওয়াশিংটনের নামে রাখা হয়েছে যিনি আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং আমেরিকান স্বাধীনতার বিজয়ী সম্পর্কে খ্যাতি লাভ করেছেন।জর্জ ওয়াশিংটন সেতু আধুনিক সময়ে বিভিন্ন অলংকৃত সংস্কৃতি ও সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসাবে গণ্য। এটি প্রতিবছর মিলিয়নটাকার পরিমাণ উদ্ভাবন করে এবং একটি প্রধান আর্থিক উৎস হিসাবে কাজ করে। জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি নিয়মিত ভাবে সংরক্ষিত এবং পূর্ববর্তী প্রকল্পের মতো একটি সাফল্যের উদাহরণ হিসাবে বিশ্বের স্বর্ণকেশী সেতু হিসাবে স্বীকৃতি পায়।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি সম্পূর্ণ নগরীতে উঠে এবং নিউ জার্সি এবং নিউয়র্ক মধ্যে সংযোগ প্রদান করে। এই সেতুর দুই পাশে বিভিন্ন স্কাইলাইন নির্মিত হয়েছে যা নিউয়র্ক শহরের প্রতিটি কোণে অবস্থিত হয়ে আছে।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি নিউ জার্সির ফর্ট লি থেকে শুরু হয় এবং নিউয়র্ক শহরের উত্তরের দিকে অবস্থিত। এটি আমেরিকার সাবলাইন নদী উপর অবস্থিত হয়ে আছে এবং নিউয়র্ক শহর ও নিউ জার্সি রাজ্য এই সেতু ব্যবহার করে।


জর্জ ওয়াশিংটন


সেতুটির নির্মাণ শুরু হয় 1927 সালে এবং সেটি উদ্বোধিত হয় 1931 সালে। এটি আমেরিকার সমস্ত সেতুগুলির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় এবং সময়ের প্রথম সেতুগুলির মধ্যে একটি।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুর দৈর্ঘ্য 1.45 মাইল এবং তার উচ্চতা 604 ফুট। সেতুটি বিভিন্ন যানবাহন ও পণ্য সংগ্রহকরণ সেবা প্রদান করে এবং মোটরওয়ে ও ট্রাকের মাঝে একটি প্রধান সংযোগ দেয়।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুর নাম জর্জ ওয়াশিংটন, আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি পূর্ব নিউয়র্ক ও নিউ জার্সি মধ্যে পার হওয়া একমাত্র সেতু যা এই দুটি রাজ্যের মধ্যে যাতাযাতের ব্যবস্থা সরবরাহ করে।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি আমেরিকার প্রধান সংযোগ ব্রিজ হিসাবে পরিচিত এবং নিউয়র্ক


সিটিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলির মধ্যে জর্জ ওয়াশিংটন সেতুটি আমেরিকার আর্থিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের মাধ্যম হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি নিউয়র্ক ও নিউ জার্সি মধ্যে পার হওয়া একমাত্র সেতু হিসাবে একটি উত্তরদায়ী মোহর প্রদর্শন করে যা দুটি রাজ্যের মধ্যে যাতাযাতের ব্যবস্থা সরবরাহ করে।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুর নির্মাণের ব্যবস্থা করতে, নিউয়র্ক শহরের নিউয়র্ক ও নিউ জার্সি এসোসিয়েশন নামক একটি সংস্থা গঠিত হয়। সেই সময় এসএনএন এবং পেন্নসিলভেনিয়া রেলরোড প্রতিষ্ঠানগুলির সমর্থনে এই সংস্থা নির্মাণ করা হয়। নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর জর্জ ওয়াশিংটন সেতু সেই সময় একটি মহান ইউরোপীয় আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার অভিবাসী ওথম

ও আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার ওয়াশিংটন রোবলিংস দ্বারা নির্মিত হয়। সেই সময় এটি দুনিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু ছিল। এটি একটি সুইজারল্যান্ডের আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার অথবা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার রবার্ট ফাউলার কৃতি ছিল।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতু 1931 সালে উদ্বোধিত হয়েছিল এবং এটি এখনো উন্নয়নের কাজে উপযুক্ত। এটি নিউয়র্ক ও নিউ জার্সির মধ্যে একটি মৌলিক সংযোগ প্রদান করে এবং একটি সফল প্রকল্প হিসাবে পরিচিত। সেই সময় এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু হিসাবে পরিচিত ছিল এবং একটি আদর্শ ইঞ্জিনিয়ারিং উদাহরণ হিসাবে পরিচিত ছিল।


জর্জ ওয়াশিংটন সেতুর নাম জর্জ ওয়াশিংটনের স্মৃতি উদ্বোধন করে যা আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এটি আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী সেতু ।



Comments

Popular posts from this blog

Bhagat singh motivational quotes in bangali.